এমন মানুষ দেখাতে পারবেন না যে ধর্ষণ চায়।কারণ যে ধর্ষণ চায় সে মানুষের কাতারে পরতে পারেনা।এটা একটা জন আবেগ এবং স্পর্শকাতর ইস্যু,আর এই জনগণের আবেগ নিয়ে খেলে একপ্রকারের নিকৃষ্ট জীব।ইস্যু আসে ইস্যু যায় কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য কিন্তু একটাই সরকারকে বেকায়দায় ফেলার পায়তারা।
এদের উদ্দশ্য ধর্ষণের বিচার চাওয়া নয় এরা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার কাজে ধর্ষণের মত সিরিয়াস ইস্যুকেও ব্যবহার করছে মাত্র। এরা ধর্ষকের মতই নিকৃষ্ট।
ধর্ষক যেমন নারীকে ধর্ষণ করে ঠিক তেমনি এরা রাষ্ট্রকেই ধর্ষণ করার পায়তারা করে।কারণ তাদের কার্যক্রম রাষ্ট্রকে বেকায়দায় ফেলা!রাষ্ট্রের কোনো ভালো কাজে এদের কন্ট্রিবিউশান পাবেন না;কিন্তু রাষ্ট্রের কাজে ষড়যন্ত্র করতে এরা ঠিকই তৎপর!
এরা কারা???
এরা তারাই যারা পদ্মা সেতুর কাজে বিশ্বব্যাংকের ঋণ আটকিয়ে দেয়।
এরা কারা???
এরা রাষ্ট্রের উন্নয়নকে হেয় করতে অপপ্রচারে ব্যস্ত থাকে।
এরা কারা???
এরাই দেশদ্রোহী, রাষ্ট্রের ধর্ষক!!!
এরা বিনপি-জামাত-বামপন্থী!!!